ব্যবসা করবার নিয়ম সম্পর্কে জেনে নিন ঘরে বসেই

 অনলাইনে ব্যবসা করার ক্ষেত্রে  কিন্তু অনেকেই সন্দেহ এর ভিতরে থাকে ।অনলাইনে বিজনেস করার সিস্টেম অথবা  অনলাইনে  প্রোডাক্ট বিক্রি করার   নিয়ম কিন্তু   অনেক মানুষ জানতে চান  

 

ব্যবসা করবার  নিয়ম সম্পর্কে জেনে নিন ঘরে বসেই


অনেক মানুষ আছে যাদের মাথায় ব্যবসা করার আইডিয়া থাকলেওতারপরেও তাদের কাছে অনলাইনে ব্যবসা করার নিয়ম কানুন সম্পর্কে জানেনা তারা এই বিষয়গুলো সম্পর্কে জানতে চাই   আর তাই তাদের জন্যে আজকে আমার এই লেখাটা। 

 

অনলাইনে ছোটখাটো ব্যবসা শুরু করার জন্য কিন্তু আপনাদের সবার প্রথমে কয়েকটা পদক্ষেপ  থাকা লাগবেআর  সেগুলো যদি আপনারা  অনুসরণ করেন তাহলে কিন্তু আপনারা খুব সহজেই সফল হতে পারবেন এই সেক্টরে    কেননা , অনেক মানুষেরাই কিন্তু এখন বর্তমানে  নিমোক্ত প্রক্রিয়া গুলো  অনুসরণ করার পরেই তারা  অনলাইনে  ব্যবসা  করতেছে    আপনারা ইচ্ছে করলে কিন্তু আমাদের বেষ্ট ১০টি বিজনেস আইডিয়া সম্পর্কে জেনে নিন ঘরে বসেই পড়ে ব্যবসা করার  আইডিয়া  নিয়ে নিতে পারেন খুব সহজেই

 

 

 
অনলাইনে ব্যবসা শুরু করবার নিয়ম 






. এক ধরন এর ব্যবসা বেছে নিতে হবে যেটার পর্যাপ্ত Market  চাহিদা আছে মার্কেটে – 

 

বেশিরভাগ মানুষেরই কিন্তু বর্তমানে এখন  পণ্য আর বাজার নিয়ে রিসার্চ  করার সময় অনেক ভুল করে থাকে   আপনাদের সফলতা এর   সম্ভাবনা বৃদ্ধি  করবার জন্য কিন্তু আপনাদের কে  বাজার যাচাই  করা শুরু করে দিতে হবে অনলাইনে  কোন প্রোডাক্ট এর চাহিদা বেশি সেটা কিন্তু আপনাদেরকে সবার আগে নির্বাচন করতে হবে   সম্ভাবনা যাচাই  করে নেওয়ার যে  কৌশলটা  রয়েছে সেটা অনেকটা এরকম এর যেআপনাদের কে খুঁজে বের করা লাগবে কোন মানুষ কোন প্রোডাক্ট চাচ্ছে  কোন প্রোডাক্টে তারা খুজতেছে , আর সেই প্রোডাক্টের মার্কেটে চাহিদা কি রকমের।  যদিও ভাই কাজটা কিন্তু আসলে অনেক  জটিল  কিন্তু তারপরেওইন্টারনেট  এই সকল ধরনের  বাজার গবেষণা  করা কিন্তু বর্তমানে অনেক সহজ করে দিয়েছে। যেমন মনে করেন যে :

 

·        আপনারা অনেক ধরনের  অনলাইন ফোরামে  যেতে পারে না সেখানে দেখতে পারেন যে মানুষ  কোন ধরনের প্রশ্ন করে থাকে আর  সেটা সমাধানের চেষ্টা  করতেছে অর্থাৎ তাদের   চাহিদাটা  কি রকমের রয়েছে  

·        কি-ওয়ার্ড রিসার্চ  করতে পারেন রিসার্চ  করে জেনে নিবেন , মানুষ  কোন ধরনের কি-ওয়ার্ড বেশি  অনলাইনে সার্চ করে

·        আপনারা আপনাদের সম্ভাব্য প্রতিযোগী যারা রয়েছে তাদের ওয়েবসাইটে যেতে পারেন অর্থাৎ তাদের ওয়েবসাইটে কিন্তু আপনারা ভিজিট  করতে পারেন   আর তাদের সাইটে গিয়ে দেখেন আর  জানুন  তারা তাদের কাস্টমারদের চাহিদা পূরণ করার জন্য আর এর সাথে  গ্রাহক চাহিদা  অনুসন্ধান করার জন্য তারা কি কি পদক্ষেপ অবলম্বন করতেছে।  অথবা তারা কোন কোন ধরনের টেকনিক অবলম্বন করতে সেগুলো আপনারা রিচার্জ করুন  

·        এরপরে প্রত্যেকটা বেশি আপনারা নোট করে রেখে দিন।  আপনারা রিচার্জ করার পরে যা পাবেন সেটি আপনার একটা প্রোডাক্টের অর্থাৎএকটা পণ্যের লিস্ট বানিয়ে ফেলবেন।

 

. প্রডাক্ট বিক্রির ক্ষেত্রে আপনারা   কয়েকটা প্রক্রিয়া  অনুসরণ করবেন – 

 

কিছু প্রমাণ করার কৌশল রয়েছে আর যেগুলো কি আপনারা যদি অবলম্বন করেন তাহলে কিন্তু তার মাধ্যমে আপনারা আপনাদের পর্নো দেখতে আসা গ্রাহকদের  কাস্টমারে পরিণত করে ফেলতে পারবেন খুবই সহজে যেমন মনে করেন যে :

 

·        একটা আকর্ষণীয়  আর  শক্তিশালী  শিরোনামঃ দিতে হবে

·        আপনার প্রোডাক্ট বা  সেবাটা   গ্রাহকদের যে সকল চাহিদা পূরণ করবে তার একটা বিবরণ আপনাকে দিতে হবে  

·        মানুষদের কাছে আপনাদের প্রোডাক্টের  বিশ্বাসযোগ্যতা স্থাপন  করে নিতে হবে

·        আপনাদের কাছ থেকে যারা আপনাদের প্রোডাক্ট কিনেছেন তাদের কাছ থেকে আপনারাপ্রশংসাপত্র যুক্ত করে নিবেন অর্থাৎ  এখানে   বলা   হচ্ছে যেপ্রোডাক্টের রিভিউ দেওয়ার ব্যবস্থা করে দেবেন আপনারা।

·        প্রডাক্ট  অথবা সেবা গ্রহণ করার পরে  ভোক্তাগণ কিভাবে  উপকৃত হতে পারবে সেই বিষয়ে আপনাদেরকে বিস্তারিত ভাবে উল্লেখ করতে হবে

·        দরকার হলে কিন্তু আপনারা বিশেষ   অফারের কথা উল্লেখ করে দিতে পারেন  

·        প্রোডাক্টের সাথে কিন্তু আপনারা চাইলে  গ্যারান্টি ওয়ারেন্টি  যুক্ত করে দিতে পারেন  

·        প্রোডাক্ট এর প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে আপনারা তাদেরকে কিন্তু অবগত করতে পারেন

 

 আপনাদের প্রোডাক্টের  অনুলিপি জুড়েআপনাদের প্রোডাক্ট কিংবা পরিষেবা  কিভাবে মানুষদের চাহিদাগুলো পূরণ করবে কিংবা তাদের জীবনকে  আরও উন্নত করতে সক্ষম হতে পারবে সে সম্পর্কে আপনারা ভালোভাবে ফোকাস  করবেন গ্রাহকের  মতো করে ভাববে না নিজেকে আপনারা জিজ্ঞাসা  করবেন ”  এই প্রোডাক্ট  অথবা আমাদের এই সেবাটিতে কি কি রয়েছে ?”

 

 

. আকর্ষণীয় মানের একটা  ওয়েবসাইট   বানানোর চেষ্টা করবেন – 

 

 

প্রোডাক্টের  বাজারজাত  আর প্রোডাক্ট নির্বাচন নির্বাচন  করার পরে আপনাদেরকে ওই ধাপটি  সম্পন্ন করা হয়ে গিয়েছে   কিন্তু আপনাদের  আসল কাজ যে গুলো রয়েছে সেগুলো কিন্তু এখনো বাকী রয়ে গিয়েছে অর্থাৎ  আপনাদের কাছে শুধুমাত্র  সেকেন্ডের থেকেও কম সময় থাকবে   আপনাদের ওয়েবসাইট থেকে একটা   কাস্টমারের কাছে   আকর্ষণীয় করে তোলার জন্য   আর এই উক্ত সময়ের ভিতর যদি আপনারা ব্যর্থ হয়ে যান কোনভাবে যদি না করতে পারেন তাহলে কিন্তু  আপনারা অনেক কাস্টমার হারাতে থাকবেন  

 Read More - 

পুরাতন বইয়ের দোকান দিয়ে আয় করুন



আর ঠিক এই জন্যই  কিন্তু আপনাদেরকে  ওয়েবসাইট  ডিজাইনের প্রতি অধিক গুরুত্ব দিতে হবে   কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস আপনাদের মাথায় রাখবেন ওয়েবসাইট  ডিজাইন করার  ক্ষেত্রে:

 

·        যতটা পরিমাণের সম্ভব হয়  তথ্যবহুল  করবার চেষ্টা করবেন আর তার সাথে সাথে  পণ্য সংক্রান্ত  বাদে  অতিরিক্ত  তথ্য প্রদান করা থেকে বিরত থাকবেন  

·        ন্যাভিগেশন যতটা পরিমাণের সম্ভব হয়  স্পষ্ট  আর  সাথে সহজ-সরল  রাখবে না আর  ওয়েবসাইটের  প্রত্যেকটা পৃষ্ঠা একই  রকমের রাখার চেষ্টা করবেন  

·        শুধুমাত্র  গ্রাফিক্স, অডিও  অথবা  ভিডিও ব্যবহার  করবেন এতে করে আপনাদের  তথ্যের  গুরুত্ব কিন্তু অনেক বেশি পরিমাণে বৃদ্ধি পাবে  

·        ক্যাম্পেইন  অফার যুক্ত করে দিতে পারেন যাতে করে আপনারা আপনাদের গ্রাহকদেরকে ইমেইলের মাধ্যমে সংযুক্ত করে নিতে পারেন খুব সহজে।

·        পণ্য ক্রয় করার ধাপগুলো কিন্তু আসলে  অত্যন্ত সহজ  করে তুলতে হবে   যেন আপনাদের কাস্টমাররা  দুইটা ক্লিকের মাধ্যমে তারা তাদের কাঙ্খিত প্রোডাক্টটি করে করে নিতে পারে খুব সহজেই   

·        আপনাদের ওয়েবসাইট থেকে একটা অনলাইন ডেস্ক -ফ্রন্টতাই এটা কি আপনাদের কে কিন্তু গ্রাহকবান্ধব করে তুলতে হবে  

 

 

. কাস্টমারদেরকে  আপনাদের ওয়েবসাইটে নিয়ে আসার জন্য কিন্তু  সার্চ ইঞ্জিন  এর সহায়তা নিতে পারেন – 

 

Pay-per-click advertising  একটা নতুন লঞ্চ করা ওয়েবসাইট থেকে   ওয়েবসাইট ট্রাফিক   পাওয়ার জন্য অত্যন্ত সহজ আর এর সাথে কিন্তু অনেক  কার্যকরী  একটা পদ্ধতি বলা যায় অর্গানিক ভাবে ট্রাফিক  পাওয়ার থেকে কিন্তু আসলে এটা অনেক বেশি বেশি সুবিধাজনক আর কার্যকরী বটে।

PPC ads আপনাদের ওয়েবসাইটকে  কিন্তু সার্চ পেইজকে তাৎক্ষণিক-ভাবে  সার্চ রেজাল্টে থাকা  দশটা ওয়েবসাইটকে পিছনে  ফেলে দিয়ে  আপনার ওয়েবসাইটকে সবার উপরে দেখাবে  

 

আর এতে করে আপনাদের কাস্টমার যেরকম ভাবে বৃদ্ধি পাবে অর্থাৎ  বেশি বেশি  আপনাদের প্রোডাক্ট গুলো কে দেখতে পাবে আর  সাথে সাথে কিন্তু আপনাদের প্রোডাক্ট অব অনেক বেশি পরিমাণে বিক্রি হতে শুরু করে দিবে   আর  ছাড়াও   আপনারা কিন্তু শুধুমাত্র  তাৎক্ষণিক ট্র্যাফিকই  পাবেন নাশেষে আপনারা পাবেন PPC ads  আপনাদের সেরা আপনাদের বেস্ট সর্বোচ্চ-রূপান্তর-কারী কি-ওয়ার্ডগুলোকে অর্গানিক  ভাবে গুগল রেংকিং নিয়ে আসার জন্য কিন্তু আপনাদেরকে অনেক সাহায্য করবে

 

 

 

. ওয়েবসাইটের  বিশেষভাবে  খ্যাতি স্থাপন  করে ফেলুন – 

 

 

মানুষ যেকোন তথ্য খোঁজার জন্য কিন্তু বর্তমানে এখন ইন্টারনেট ব্যবহার করে থাকে   আপনাদের ওয়েবসাইটে  বিনামূল্যে  সেই তথ্যগুলো সরবরাহ করে রেখে দিতে পারেন  আর এতে করে আপনারা কিন্তু বেশি পরিমাণে ট্রাফিক পাবেন আর তার সাথে সাথে কিন্তু সার্চ ইঞ্জিনও আপনাদের ওয়েবসাইটটাকে ্যাঙ্কিং   সবার উপরে দেখতে পারবেন   আসল কথা হল যে  সর্বদা সার্চ  হয়ে থাকে এরকম কিছু আর্টিকেল আপনাদের ওয়েবসাইটে দিতে থাকবেন   যাতে করে মানুষ  সেই লেখাগুলো লিখে সার্চ করার পরেও আপনাদের ওয়েবসাইটে তারা দেখতে পারে। শুধু আর্টিকেল না কিন্তু আপনারা চাইলে কিন্তু  মজার তথ্য বহুল ভিডিও কিন্তু  আপলোড  করে দিতে পারেন খুব সহজেই   আর পরবর্তীতে কিন্তু  সে গুলোকে  সোশ্যাল  মিডিয়া এর মাধ্যমে আপনাদের  পরিচিত বন্ধু-বান্ধব যারা রয়েছে তাদের কাছে ছড়িয়ে দিতে পারবেন।  আর এতে করে কিন্তু আপনাদের ওয়েবসাইটের প্রচারও  ভালভাবে হয়ে যাবে   আর আপনারা কিন্তু প্রতিনিয়ত এভাবে  নতুন নতুন  পাঠক যারা রয়েছে তাদের কাছে পৌঁছে যাবেন  

 

. ইমেইল মার্কেটিং শুরু করে দিতে পারেন 

 

 

ওয়েবসাইটের ভিজিটর কে যদি আপনারা আপনাদের কাস্টমার পরিণত করতে চান তাহলে কিন্তু অবশ্যই আপনাদেরকে ইমেইল মার্কেটিংয়ের সহায়তা নেওয়া লাগবে।  একটি অনলাইন ব্যবসা  শুরু করতে চাইলে সব থেকে   গুরুত্বপূর্ণ যে বিষয়টা হচ্ছে সেটা হল গ্রাহকদের ইমেইল। আর এই  ইমেইলের মাধ্যমে কিন্তু আপনারা আপনাদের গ্রাহকদের সাথে কানেক্টেড থাকতে পারবেন কারণ এর মাধ্যমে কিন্তু আপনারা আপনাদের গ্রাহকদের আপনাদের নতুন নতুন সকল ধরনের সার্ভিস নতুন নতুন সকল ধরনের প্রোডাক্ট সম্পর্কে তাদের কাছে জানাতে পারবেনতাদেরকে অবগত করতে পারবেন আপনাদের প্রোডাক্ট সম্পর্কেআর এতে করে কিন্তু আপনারা অনেক কাস্টমার পেয়ে যাবেন ফ্রিতে   

 

 

. ডিজিটাল মাকেটিংয়ে বিশেষভাবে  গুরুত্ব  দিবেন

 

অর্থাৎ আপনারা  যদি Bussiness  করতেই ইচ্ছা করেন তা হলে কিন্তু আপনাদের কে  ডিজিটাল মাকের্টিং  ছাড়া সফলতা অর্জন করা আপনাদের পক্ষে সম্ভব হবে না   আপনারা যদি আপনাদের প্রোডাক্ট বিক্রি করতে চান তাহলে আপনাদেরকে অবশ্যই ক্ষেত্রে ব্যবসায়কে দ্রুত প্রসার  করে নিতে চান তাহলে আপনাদের অবশ্যই , ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের  বিকল্প এর কোন কিছুই নেই  

 

·        Social media marketing

·        Search engine optimization

·        Affiliate marketing 

·        Video marketing 

·        Content marketing 

·        Email marketing 

 

 

আমাদের শেষ কথা – 

 

এইগুলোই ছিল আমাদের আজকের লেখার উদ্দেশ্যঅর্থাৎ কিভাবে  আপনারা অনলাইনে ব্যবসা করে সফল হতে পারবেনকিভাবে অনলাইনে ব্যবসা করতে হয় এই ব্যবসার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে আসলে মূলত অনলাইনে ব্যবসা  করবার সম্পর্কে  প্রাথমিক  আর  মৌলিক ধারণা  দেওয়া আশা করি আজকের এই আর্টিকেল থেকে আপনারা অনেক  উপকৃত হয়েছেন   আর আপনাদের যদি এই বিষয়ে কোন প্রশ্ন থাকে তাহলে সেটা আমাদেরকে কমেন্ট করে জানাতে পারেন।  আমরা আপনাদের প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য সর্বদা প্রস্তুত রয়েছি তথ্য - প্রিয় ক্যারিয়ার 


admin

লেখালেখি করতে ভালো লাগলে, আর সে খান থেকেই এই ওয়েবসাইট খোলা ।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নবীনতর পূর্বতন