নিজেই নিজের ভোটার আইডি কার্ড দেখবো কিভাবে

 নিজেরাই নিজেদের  ভোটার আইডি কার্ড  দেখবেন কিভাবেএই প্রশ্নটা কিন্তু আমাদের মনের সব সময় গ্রুপ করে থাকি ,  যখন আমরা নতুন করে ভোটার  আইডি    কার্ড এর জন্য রেজিস্ট্রেশন করি বা নিবন্ধন করে থাকি । একটা নির্দিষ্ট সময় পরে কিন্তু আমরা আমাদের  ভোটার আইডি  কার্ড টা কি চেক

প্রতিবারই অনলাইনের মাধ্যমে  




কে বলতে পারে হয়তো আপনার এই মুহূর্তে আপনার ভোটার আইডি কার্ড টা খুব দরকার এটা কাজে লাগবেকিন্তু আপনি ভোটার নিবন্ধন  করার পরেও আপনাদের হাতে এখনো কার্ডটা পাননি , তাহলে এখন আপনারা কি করবেন ? আজকে আপনাদের জন্য সহজ একটি সমাধান নিয়ে এসেছে  বাংলাদেশ সরকারআর সেই সঠিক তথ্য গুলো পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব আমার

 

বাংলাদেশ   ভোটার আইডি কার্ড সংক্রান্ত যেসব সমস্যা রয়েছে সে সকল সমস্যার সমাধান গুলো কিভাবে আপনারা করতে পারবেন সেই বিষয়গুলো নিয়ে আজকে আপনাদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে এই লেখার ভিতর   এই লেখাটি পড়া শেষে আপনারা জেনে নিতে পারবেন যে , ভোটার আইডি কার্ড  সম্পর্কে  কিছু  দরকারি ইনফর্মেশন  , কিভাবে আপনাকে নতুন করে ভোটার হতে পারবেন , নিজেই নিজের ভোটার আইডি কার্ড দেখবো কিভাবেরেজিস্ট্রেশন করার পরে আপনারা  নতুন ভোটার আইডি কার্ড কবে দিবে, মোবাইল নাম্বার  দিয়ে জাতীয় পরিচয় পত্র দেখবো কিভাবে , সংশোধন আর নিয়মাবলি ভোটার  আইডি কার্ড হারিয়ে যাওয়ার পরে কি করবআপনাদের এই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর গুলো আজকে আমাদের এই লেখার ভিতর জানতে পারবেন  নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার নিয়ম


তাই আজকে আমাদের এই লেখাটা পড়তে থাকুনলেখাটি ভালো লাগলে অবশ্যই আপনার বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করবেনযাতে করে অন্যরাও এই বিষয়টা সম্পর্কে জানতে পারে  

 

ভোটার আইডি কার্ড কি?


জাতীয় পরিচয়পত্র(National Identity Card) এক কথায় বলা যায় যে  ভোটার আইডি কার্ড হচ্ছে টি বাধ্যতামূলক পরিচয় পত্র, আর যেটা কিন্তু আসলে  বাংলাদেশ  ১৮ বছর  বয়স হয়ে যাওয়ার পরে প্রত্যেক নাগরিকদের জন্য একটা পরিচয় দলিল বলা যেতে পারে NID এনআইডি  কিংবা  ভোটার আইডি কার্ড হচ্ছে বাংলাদেশী ড্রাইভার এর লাইসেন্সের এর মতনই একটি  সরকারী জারি  করে দেওয়া ফটো আইডিআর যেটা কিন্তু আসলে বায়োমেট্রিক, মাইক্রোচিপ এমবেডেড, স্মার্ট আইডেন্টিটি কার্ড। 


একাধিক  দরকারি  পাবলিক সার্ভিস   গ্রহণ করার জন্য প্রয়োজন হয়ে থাকে , যেমন মনে করুনইউটিলিটি কানেকশন  পেতে দরকার হয়সেইসঙ্গে  প্রাইভেট সার্ভিস  যেমন ধরুন  বাংলাদেশে ব্যাংক  একাউন্ট খুলতে গেল এটা দরকার হয় আর তারপরে আপনাদের যে  পাসপোর্ট  এর দরকার হয় তাহলে কিন্তু এই এনআইডি কার্ড আপনাদের দরকার হবে কাগজ   লেমিনেটেড ভোটার আইডি কার্ড ২০০৬ সালে চালু করা হয়েছিল  , কিন্তু ২০১৬  সাল হতে বাংলাদেশের ভিতরে সকল  প্রাপ্তবয়স্ক  নাগরিক যারা রয়েছেন তাদের জন্য  বায়োমেট্রিক  আর  মাইক্রোচিপ এমবেডেড স্মার্ট এনআইডি Card এর  কার্যক্রম শুরু  করা হয়েছিল  । অনলাইন থেকে আপনার আইডি কার্ড সংগ্রহ করুন


 বাংলাদেশের  নাগরিকদের  জন্য একটা  জনসংখ্যাতাত্ত্বিক আর  বায়োমেট্রিক ডাটাবেজ  বানিয়ে ফেলা হয়েছিল ১৮ বছর  কিংবা   এর থেকে বেশি বয়সী সকল বাংলাদেশীদের পরিচয় পত্র প্রদান করা হয়েছিল আর তার সাথে সাথে একটি কেন্দ্রীয় বায়োমেট্রিক ডাটাবেস   অন্তর্ভুক্ত  করে দেওয়া হয়েছিল 

আর যেটা ব্যবহার করে বাংলাদেশ নির্বাচন পদ্ধতি তদারকি  করতে পারবে খুব সহজেইবাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ২০১৬  এর আগেও কিন্তু , কেবলমাত্র  সাধারণভাবে পরিচয় জারি করে দেওয়া হয়েছিল যার ভিতরে কিন্তু কেবল মাত্র  আইডি ধারক এর  নাম অন্তর্ভুক্ত  করা ছিল ; পিতা  আর  মাতার নাম; জন্ম তারিখ; আইডি  কার্ডের নাম্বারব্যক্তির ছবি; থাম্ব তার সাথে  ইন্ডেক্স ফিঙ্গারপ্রিন্ট  স্বাক্ষর। 

আর এই  কাগজ ভিত্তিক স্তরিত এনআইডি কার্ড গুলো কিন্তু  জাল  করে নেওয়াটা অনেকটাই সহজ ছিল বলতে গেলে  


কিন্তু এগুলো আটকানোর জন্য কিন্তুঅক্টোবর ২০১৬  হতেই শুরু করে দেয় , কার্ডধারীর নিরাপত্তা  নিশ্চিত করার সাথে সাথে জালিয়াতি  আর  জালিয়াতি  রোধ করার জন্য তাদের প্রতিস্থাপন  করা হয়েছিল বায়োমেট্রিক, মাইক্রোচিপ এমবেডেড, স্মার্ট পরিচয়পত্র। স্মার্ট এনআইডি  কাঠ গুলোতে অন্যান্য বায়োমেট্রিক আর  পরিচয়  তথ্য এর সাথে সাথে দশটা আঙুল এর  ছাপ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে   আমরা আজকে আপনাদের সঙ্গে বিস্তারিতভাবে বল বলছি আপনারা কিভাবে নিজেই নিজের ভোটার আইডি কার্ড দেখবো কিভাবে। নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার নিয়ম ২০২১

 


ভোটার আইডি কার্ড কেন এত  দরকারি 



ভোটার আইডি কার্ড আমাদের বাংলাদেশের প্রত্যেকটা নাগরিকদের জন্য কিন্তু অনেক দরকারী একটা বিষয়। আমরা বাংলাদেশে বাস করি আরআমরা যে বাংলাদেশের বৈধ  নাগরিক এটা কিন্তু তার প্রমাণ দিয়ে থাকে   বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে সকল ধরনের সুবিধা  আর তার সাথে সাথে  সেবা নিতে  হলে সকলেরই  ভোটার আইডি কার্ড  দরকার হয়  থাকে  সব কাজে   কয়েক বছর পরে পরেই কিন্তু নির্দিষ্ট  একটা সময়তে কিন্তু  নির্বাচন কমিশন  এটাকে হালকা না   করে থাকে তারা যোগ্য ভোটার এর  তালিকা হালনাগাদ করে  নির্বাচন কমিশন এর  অধীনে টি চলমান প্রক্রিয়া


Read More - 

অনলাইনে ইংরেজি শিখিয়ে আয় করুন সহজ উপায়ে

ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করার সকল সুবিধা অসুবিধাগুলো

খাবার ডেলিভারি করার ব্যবসা করে আয় করুন

ভোটার আইডি কার্ড না হলে কিন্তু আপনারা বেশিরভাগ  সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করতে  পারবেন না    আপনাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা হতে শুরু করে আপনারা  আপনাদেরসন্তানদেরকে   স্কুলে ভর্তি করতে  গেলেও  এটার দরকার হবেএমনকি আপনারা যদি অনলাইনে জব করতে চান তাহলে সে ক্ষেত্রেও কিন্তু আপনাদের এই এনআইডি কার্ড এর প্রয়োজন হবে আর এক এখন তো নতুন সিম কিনতে গেলেও আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র এর দরকার হয় । ভোটার আইডি কার্ড জন্ম তারিখ সংশোধন

 

 

 

ভোটার আইডি কার্ডের  সুবিধা  গুলো নিচে দেওয়া হল


বাংলাদেশ  এর  স্মার্ট   এন আইডি  কার্ড   এর   মাধ্যমেই  কিন্তু আসলে নাগরিকদের জন্য  নিম্ন   লিখিত সুবিধা  আর  এর   সঙ্গে  পরিষেবা  গুলি  গ্রহণ  করে নিতে পারবেন  খুব সহজেই

·         নাগরিকদের অধিকার আর সূর্য সুবিধা জাতীয় পরিচয় পত্র  ড্রাইভিং লাইসেন্স পাসপোর্ট

·         জমি ক্রয়  বিক্রি করতে লাগে  

·         বাংলাদেশী ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলতে লাগে 

·         অ্যাকাউন্ট চেক করতে লাগে 

·         সরকারি পেনশন নিতে লাগে 

·         সরকারি আর্থিক সাহায্য কিংবা   সহায়তা নেওয়ার জন্য লাগে 

·         বিন সুবিধা নেওয়ার জন্য লাগে 

·         শেয়ার-বিও অ্যাকাউন্ট রক্ষণাবেক্ষণকারী

·         ব্যবসা বাণিজ্য লাইসেন্স করার জন্য লাগে 

·         যানবাহন নিবন্ধন করতে লাগে 

·         বীমা প্রকল্প করতে হলেও লাগে 

·         বিবাহ নিবন্ধন করতে গেলে প্রয়োজন পড়ে 

·         -পাসপোর্ট বানাতে  গেলে   দরকার পড়ে 

·         -গভর্নেন্স লাগে 

·         গ্যাস আর  বিদ্যুৎ সংযোগ করতে লাগে 

·         মোবাইল সংযোগ নিতে এন আইডি কার্ডের দরকার হয়ে থাকে 

·         স্বাস্থ্য কার্ড নিতে হলে আপনাদের ভোটার আইডি কার্ড দরকার হয় 

·         -ক্যাশ ক্ষেত্রে কিন্তু আপনাদের ভোটার আইডি কার্ড দরকার হবে 

 

ব্যাংক থেকে লেনদেন আর  শিক্ষার্থী যারা আছেন তাদের  ভর্তির সুবিধাসহ অনেক ধরনের সুবিধা নাগরিক হলে কিন্তু পেয়ে যাবেন আপনারা  


 

কিভাবে নতুনরা  ভোটার হতে পারবেন - 


আপনাদের  বয়স যদি  ১৮ বছর অথবা  এর থেকে বেশি হয়ে থাকেকিন্তু এখনো যদি আপনারা ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত না হয়ে থাকেনতারা কিন্তু চাইলেই  নিবন্ধন  করে ফেলতে পারেন। তালিকাভুক্তি এর সময় তাদেরকে আবেদন পত্রের  সাথে সাথে নিম্নলিখিত সহায়ক ডকুমেন্টস এর দরকার হতে পারে  বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ভোটার আইডি কার্ড



যে ব্যক্তি   বাংলাদেশ এর  নাগরিক কিন্তু এখন  পর্যন্ত যে নিবন্ধিত হয়নি, আপনাদের  বয়স যদি ১০বছর কিংবা তার থেকে   বেশি যদি হয়ে থাকে , তা হলে কিন্তু আপনারা  এখন ভোটার হিসেব   নিবন্ধিত হতে পারেননি  তা হলে online এই কিন্তু আপনারা  ফরম পূরণ করেই আপনাদের  সিডিউল মোতাবেক সংশ্লিষ্ট উপজেলা কিংবা থানা নির্বাচন অফিস এই গিয়ে  যোগাযোগ করে বায়োমেট্রিক প্রদান করবেন বায়োমেট্রিক প্রদান এর  সময় আপনাদেরকে   তারা   কিছু সংযুক্ত কাগজ পত্র দরকার হতে পারেআর যেটা  নিন্মরুপ  

 

নতুন ভোটার হলে দরকার হতে পারে  যে সকল  ডকুমেন্টস সেগুলো নিচে লিস্ট আকারে দিয়ে দিলাম আপনাদের বোঝার সুবিধার্থে

·         এসএসসি  কিংবা  সমমান এর  সার্টিফিকেট

·         জন্ম সনদ এর প্রয়োজন হতে পারে 

·         নাগরিকত্ব সনদ (প্রযোজ্য হতে পারে   ক্ষেত্রে)

·         বাবা, মা, স্বামী কিংবা  স্ত্রীর এনআইডির সত্যায়িত ফটো কপি এর ছবি আর  বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহ এর  জন্য ইসি প্রাঙ্গন   শারীরিক ভাবে উপস্থিত থাকা লাগবে , মানে লাগতে পারে  

নতুন ভোটার আইডি কার্ড কিভাবে দেখতে পারবেন আসুন এখন আমরা সেই বিষয় সম্পর্কে আপনাদের সঙ্গে বিস্তারিত ভাবে বলতেছি


প্রত্যেকটা  মানুষ এর  মত যখন আপনারা নতুন ভোটার হবার জন্য যখন প্রথমে রেজিস্ট্রেশন করেছিলেন ,   রেজিস্ট্রেশন শেষ করার পর  আপনাদের কিন্তু রশিদ এর মত দেখতে একটা  কাগজ দিয়েছিল যেটাকে  বলা হয়  স্লিপ, দেওয়া হয়েছিল। আর ওইটাকে কি আপনারা   যত্ন করে রেখেছেন ? আমি জানি যে   আপনারা আমাদের দেশের  সুনাগরিক, হারিয়ে ফেলেতেই পারেন না  


তা হলে কোন চিন্তা করবেন না হারিয়ে  ফেললে  কি করা যায় কি করে , এটা সমাধান করা যায়কিংবা ভাবতেছেন যে নিজেই নিজের ভোটার আইডি কার্ড দেখবো কি ভাবে,  নিচে  বিস্তারিত ভাবে লেখা আছে সেটা পড়ে নিতে পারেন। 


অনলাইনে ভোটার আইডি কার্ড  দেখবার জন্য আপনারা ওই স্লিপ  এটা একটা নাম্বার রয়েছে সেটা আর আপনাদের জন্ম তারিখ লাগবে।  তাহলে আসুন জেনে নিই আমরা যে কিভাবে আমরা, নিজেই নিজের ভোটার আইডি কার্ড দেখবো কিভাবে?

 


নিজেই নিজের ভোটার আইডি কার্ড দেখবো কিভাবে


কয়েকটা  ধাপ অনুসরণ করার পরে কিন্তু আপনারা খুব সহজেই আপনাদের নিজেদের নিজেদের নিজের ভোটার আইডি কার্ড  চেক করে নিতে পারবেন খুব সহজ ভাবেই নির্বাচন কমিশন বাংলাদেশ   এর যে অফিশিয়াল ওয়েবসাইট  রয়েছে সেখান থেকে আপনারা কিন্তু কয়েকটা  ধাপে  এই কাজটা করে ফেলতে পারবেন খুব সহজেই   আর এই পদ্ধতিতে কিন্তু আপনারা খুব সহজেই  ভোটার আইডি কার্ড  চেক করে নিতে পারবেন আপনাদের প্রয়োজন হবে যে জিনিস গুলো সেগুলো হচ্ছে ভোটার  নিবন্ধন ফরম এর  স্লিপ এর যে একটা  নম্বর রয়েছে সেটা আর , ওরিজিনাল অর্থাৎ নিবন্ধন এর সপময়তে যেই  জন্ম তারিখ দিয়েছিলেন আপনারা সেটা , আর টি সহজ কাপচা * করে ফেলে কিন্তু আপনাকে খুব সহজে  এন্টার  যাবার পরে দেখতে পারবেন যে আপনাদের  কাঙ্ক্ষিত ভোটার আইডি  card টি  অনেক সহজ পদ্ধতিতে   


ভোটার নিবন্ধন ফরম এর  স্লিপ নম্বর আর   জন্ম তারিখ দিয়েই   আপনারা খুব সহজেই এটা চেক করে নিতে পারবেন

 

নতুনদের  ভোটার আইডি কার্ড কবে দিবে জেনে নিন 


তরুণদের  জন্য কিন্তু আসলে  ভোটার আইডি কার্ড  বলা যায় অনেকটাই  এক্সসাইটেড  একটা  বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে অন্য রকমের একটা অনুভূতি এর মত। নতুন ভোটার আইডি কার্ড রেজিস্ট্রেশন করার পরে কিন্তু  আমার মত অনেকেই হয়তো ভাবতে পারেন , নতুন ভোটার আইডি কার্ড  তারা আমাকে কবে দিবেআসল ব্যাপারটা এমন তাইনা   ? নিবন্ধন করবার সময় হয়তো আপনারা নিশ্চয়ই  আপনাদের সাথে যোগাযোগ করার জন্য আপনাদের মোবাইল নাম্বার দিয়ে এসেছিলেন


 অনেক সময়তেই  মোবাইলে মেসেজ করে জানিয়ে দেওয়া হয় সকলকে   অথবা আপনাদের এলাকায় উপজেলা  কিংবা  ইউনিয়ন  থেকেও কিন্তু তারা   মাইকিং করে জানিয়ে দেওয়া হতে পারে এই বিষয়গুলো সম্পর্কে  হতে পারে, নতুন   যারা  ভোটার রয়েছেন তাদের  আইডি কার্ড কবে দিবে  এই বিষয়গুলো সম্পর্কে

 

সাধারণত ভাবে মূলত  মাস কিংবা বছর এর মধ্য স্মার্ট ভোটার আইডি কার্ড  দিয়ে দেওয়া হয়ে থাকেআর এই জন্য আপনাদেরকে আপনাদের  উপজেলা কাউন্সিল অফিসে যোগাযোগ  রাখতে  হবে আর এর থেকে ওঁ   আরও মজার বিষয় হল যে  আপনারা কিন্তু চাইলেই  যে কোনো সময়তেই  ভোটার আইডি কার্ড এর দরকার বা সমস্যা সমাধান করার জন্য আপনারা অনলাইন থেকে সংগ্রহ করে নিতে পারবেন খুব সহজ পদ্ধতিতে।

 


মোবাইল নাম্বার এর সাহায্যে আপনারা  কিভাবে জাতীয়  পরিচয় পত্র  কিংবা  ভোটার আইডি চেক  করবেন জেনে নিন  - 
 

মোবাইল নাম্বার দিয়ে আপনারা কোন সময়  অর্থাৎ  আপনারা কোন দিন   কিন্তু আপনারা আপনাদের মোবাইল নাম্বার দিয়ে জাতীয় পরিচয় পত্র চেক করতে পারবেন না   জাতীয় পরিচয় পত্রের অনলাইন সংস্করণ দেখতে  আপনাদের কীকীকী টেকনিক কি কি পদ্ধতি অবলম্বন করা লাগবে সেই সকল বিষয়গুলো কিন্তু আমি উপরে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করে আপনাদের সঙ্গে বলে দিয়েছিএগুলো কিন্তু এর আগেই  আলোচনা করে  ফেলেছি 

 

ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করবেন কিভাবে সে সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য নিচে বলে দিয়েছি দেখে নিতে পারেন


অনলাইনের মাধ্যমে কিন্তু আপনারা আপনাদের ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করে ফেলতে পারবেন মুহূর্তের ভিতর   শুধুমাত্র আপনারা তিন থেকে চার মিনিট  সময় ব্যয় করি আপনারা এই কাজটা কমপ্লিট করে ফেলতে পারবেন।  অনেক সময় দেখা যায় যে আমাদের  ভোটার আইডি কার্ডে যে তথ্যগুলো রয়েছে  কার্ডের তথ্য গুলো রয়েছে সে গুলো অনেক সময় ভুল থাকতে পারে    অথবা  অনেক  তথ্য পরিবর্তন করা দরকার হয়ে থাকে  


আর সেই সময় আমরা অনেক চিন্তায় পড়ে যাই যে আমরা কিভাবে আমাদের  ভোটার আইডি কার্ড  সংশোধন কিভাবে করতে পারব   একটা সময় কিন্তু এই তথ্যগুলো  পরিবর্তনের  জন্য অনেকটাই ঝামেলা পোহাতে হতো   শুধু তাই না কিন্তুঅনেকটা সময়ের ব্যাপার ছিলঅনেকটা সময় লাগবে এই কাজগুলো করার জন্য   কিন্তু আপনারা চাইলে কিন্তু বর্তমানে খুব কম সময়ের ভিতর অনলাইনেই  এই কাজটা করে ফেলতে পারবেন অনায়াসে আর এর জন্য আপনাদেরকে প্রথমে জানতে হবে যে আপনারা কিভাবে অর্থাৎ  আপনাদের ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন  করার জন্য কি কি দরকার হয়ে থাকে  


 

ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করার জন্য যে সকল জিনিস গুলো আপনাদের দরকার হবে অর্থাৎ যে যে ডকুমেন্টগুলো আপনার দরকার হবে সেগুলো নিচে দিয়ে দিলাম

 

 

এনআইডি রেজিস্ট্রেশন সাথে /উপজেলা/থানা/জেলা নির্বাচন  অফিসে যাওয়ার পরে আপনাদেরকে তাদের কাছে একটা আবেদন করা লাগবে   যদি আপনারা অনলাইনের মাধ্যমে করতে না চান তাহলে আর তার জন্য আপনাদের যা যা লাগবে 

 আপনাদের  নাম, জন্ম তারিখ আর  পিতা-মাতার নাম বর্তমান  আর  স্থায়ী ঠিকানা ভোটার আইডি কার্ড


নির্বাচনকালীন ভোটকেন্দ্র সম্পর্কিত তথ্য


 

যেভাবে ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করে নিতে পারবেন  জেনে নিন এক্ষুনি


প্রথমেই আপনাদেরকে   NID ওয়েবসাইটে রেজিস্ট্রেশন করে নিতে হবে  , প্রয়োজনীয়  তথ্য দিয়ে আপনাদেরকে তারপরে সেই ওয়েবসাইটে লগইন করতে হবে এর পরে আপনারা প্রোফাইল অপশন  গিয়ে ক্লিক   দিবেনআর এখানে আপনারা আপনাদের সমস্ত তথ্য যে সকল তথ্য গুলো দিয়েছেন সে গুলো দেখতে পারবেনএখান থেকে বহাল বাটন ক্লিক করলে একটা  অনলাইন ফরম পাবেন আর আপনারা এখান থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য পরিবর্তন  করে নিতে পারবেন আর আপনারা সেই খানে  প্রত্যেকটা তথ্য এর  পাশে  একটা বক্স দেখতে পারবেন  


উক্ত বক্স সমূহে ক্লিক  করার পরে কিন্তু  ঠিক মার্ক যুক্ত  হয়ে যাবে   সেই সঙ্গে  ঠিক মার্ক যুক্ত বক্সের  তথ্য গুলো এডিট করে নিতে পারবেন   সরকারি সকল তথ্য পরিবর্তন করা হয়ে গেলে আপনারা পরবর্তী বাটনে ক্লিক করে দিবেন ( বাটনটি উপরে ডান দিকে  দেখতে পারবেন আপনারা ) তারপরে  আপনারা  পরবর্তী ধাপ অনুসরণ করবেন

 

 তথ্য  - Deshi Learners


admin

লেখালেখি করতে ভালো লাগলে, আর সে খান থেকেই এই ওয়েবসাইট খোলা ।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নবীনতর পূর্বতন